মুখে একটা ছোট্ট ব্রণ দেখা দিলে সঙ্গে-সঙ্গে আমাদের কপালে ভাঁজ পড়ে, অথচ হাতের যত্ন নিয়ে বিলকুল মাথাব্যথা নেই। গোসল করে উঠে বা রাতে শুতে যাওয়ার আগে হাতে একটু ময়শ্চারাইজ়ার ঘষে নিলেই যেন দায়িত্ব শেষ। ভুলে যাই যে, হাতের ত্বক সবচেয়ে কমনীয়, তাই মুখের চেয়েও বয়স আগে ধরা পড়ে হাতে। শীতকালে হাতের যত্ন নেওয়াটা আরও বেশি করে দরকার।
কীভাবে ?
দিনে অন্তত চারবার ময়শ্চারাইজ়ার দিয়ে হাত মাসাজ করতে পারেন। সপ্তাহে একদিন দুই টেব্লচামচ অলিভ অয়েল বা বেবি অয়েলের সঙ্গে তিন টেব্লচামচ চিনি একসঙ্গে মিশিয়ে, টানা দু’-তিন মিনিট হাতে ঘষতে পারেন।
হাত খুব শক্ত ও ত্বক খসখসে হলে এক টেব্লচামচ লেবুর রসের সঙ্গে এক টেব্লচামচ চিনি ও অল্প জল মিশিয়ে হাতে মাসাজ করা। মিনিটপাঁচেক পর পানিতে হাত ধুয়ে, ভাল করে শুকিয়ে নিতে হবে। এতে হাত নরম হয়।
হাত নরম করার জন্য এই দু’টো মিশ্রণও লাগানো যেতে পারে। একটা টম্যাটো ও একটা লেবুর রস ভাল করে মিশিয়ে, তার মধ্যে দু’-তিন চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে ৩-৪ মিনিট ভাল করে হাতে মাসাজ করতে হবে। অন্য প্যাকটি হল, একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে পরিমাণমতো মধু, এক টেব্লচামচ গ্লিসারিন ও খানিকটা বার্লি পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে হাতের উপর লাগাতে পারেন। খানিকক্ষণ পরে প্যাক শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে হাত দুয়ে ফেলুন।
আলু থেঁতো করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে হাতে লাগানো যেতে পারে।
গোসল করে বেরিয়ে গরম অলিভ অয়েল হাতে মাখলেও উপকার পাওয়া যায়।
হাতের যত্নের মধ্যে কিন্তু নখের যত্নও পড়ে। নখ খুব ভঙ্গুর হলে, একদিন অন্তর মিনিটকুড়ি গরম অলিভ অয়েলে নখ ডুবিয়ে বসে থাকলে নখ শক্ত হয়।
অ্যাসিটোন দেওয়া নেলপলিশ রিমুভার ব্যবহার না করাই ভাল। তা ছাড়া সপ্তাহে একদিনের বেশি রিমুভার লাগানোও উচিত নয়।
নখে ন্যাচরাল শাইন আনতে চাইলে, পেট্রোলিয়াম জেলি লাগানো যেতে পারে।
নেলপলিশ লাগানোর পর নখ ফাইল করা উচিত, এতে ভেঙে যাওয়ার ভয় কম থাকে।


No comments:
Post a Comment